February 25, 2024

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা(কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা): কিসমিসের খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। আছে কিচমিচ খাওয়ার নিয়ম। এটি শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। এটি নারী-পুরুষের উভয়ের যৌন স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা
সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

এক নজরে সব:

কিসমিস আসলে কি/কিসমিস কিভাবে তৈরি হয়?

কিসমিস মূলত শুকনো আঙ্গুর, যা ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, পলিফেনল এবং অন্যান্য খাদ্যতালিকাগত ফাইবারগুলির মতো বিভিন্ন পুষ্টিতে ভরপুর। তাজা বীজযুক্ত বা বীজবিহীন আঙ্গুরকে সূর্যের আলোতে শুকানো হয় এবং ১৬%  আর্দ্রতায় রাখা হয়। রোদে এবং কৃত্রিমভাবে শুকানোর মাধ্যমে আঙ্গুর থেকে কিসমিস উৎপন্ন হয়। সাধারণত আঙ্গুর একটি প্ল্যাটফর্মে বা কাঠের ট্রেতে পাতলা স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ট্রেগুলো সূর্যের আলোতে দেয়া হয়। কিসমিস ক্যান্ডির চেয়ে ভালো এবং অবশ্যই শিশুদের উপকার করে। শুকনো কিশমিশ কালো, সোনালি, হলুদ ও সবুজ রঙের হয়ে থাকে।

১০০ গ্রাম কিসমিসের পুষ্টিগুণ:

MaterialsAmount
ক্যালরি২৯৯
ফ্যাট০.৫ গ্রাম
কার্বো-হাইড্রেট৭৯ গ্রাম
প্রোটিন৩.১ গ্রাম
সোডিয়াম১১ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম৭৪৯ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম৮%
ক্যালসিয়াম০.০৫%
ভিটামিন সি৩%
ভিটামিন বি৬১০%
আয়রন১০%
কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা/শুকনো কিসমিস খেলে কি হয়/কালো কিসমিসের উপকারিতা:

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা
সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

কিসমিসে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা একজন ব্যক্তিকে যৌনভাবে সক্রিয় এবং সমৃদ্ধ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১. কিসমিস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২. কিসমিসে থাকে ভিটামিন এ। গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন এ-এর অভাবে পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। কাজেই কিসমিস পুরুষত্বহীনতা দূর করে।

৩. কিসমিসে থাকা ভিটামিন এ প্রোজেস্টেরন সংশ্লেষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং প্রোজেস্টেরন মহিলাদের পুরো মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণ করে।

৪. কিসমিসে থাকা ভিটামিন এ নারীর যোনি ও জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আস্তরণকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। এই পুষ্টি উপাদানটি এপিথেলিয়াল টিস্যু বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই কারণেই মহিলাদের তাদের ডায়েটে কিসমিস অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

৫. পুরুষদের মধ্যে ভিটামিন এ এর অভাবে অণ্ডকোষে অ্যাট্রোফির কারণ হতে পারে এবং যৌন হরমোনের সামগ্রিক উৎপাদন হ্রাস করতে পারে।

৬. কিসমিসে থাকে ভিটামিন বি। মহিলাদের খাদ্য তালিকায় ফলিক অ্যাসিড সহ প্রচুর ভিটামিন বি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত কারণ এটি তাদের গর্ভবতী হতে সাহায্য করে।

৭. কিসমিসে থাকে সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম শুক্রাণুর গতিশীলতা বৃদ্ধি করে, এইভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনাকে বাড়ায়। 

৮. বীর্যে সেলেনিয়াম থাকে, তাই পুরুষরা নিয়মিত এই খনিজটি হারায়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিসমিস যোগ করলে শরীরে সেলেনিয়ামের পরিমাণ ঠিক থাকে।

৯. কিসমিসে আরজিনিন থাকে এবং এটি শুক্রাণুর গতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

১০. আরজিনিন নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদনে সাহায্য করে। নাইট্রিক অক্সাইড পুরুষদের ইরেকশন বজায় রাখতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। 

১১. কিসমিসে থাকা আরজিনিন  শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

১২. আরজিনিন যৌনাঙ্গে রক্তনালীগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করে, এইভাবে লিঙ্গে রক্ত ​​​​প্রবাহকে সহজতর করে।

১৩. কিসমিস একটি প্রাকৃতিক অ্যাফ্রোডিসিয়াক এবং এটি দ্রুত রক্ত ​​সঞ্চালনে সাহায্য করে।

১৪. কিসমিস যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়।

১৫. পুরুষদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসায় খুবই উপকারী।

১৬. কিসমিস লিবিডোকে উদ্দীপিত করে এবং যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। এটি   মূলত আর্জিনিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডের কারণে হয়।

১৭. কিসমিস অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এবং এটি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে শরীরকে তরুণ রাখতে সাহায্য করে।

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা: ১৭ টি বিশেষ গুণ।

কিচমিচ খাওয়ার উপকারিতা/kismis khawar upokarita/কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা (আরো ১৫ টি বিশেষ উপকারিতা):

প্রতিদিন কতটুকু কিসমিস খাওয়া উচিত/শুকনো কিসমিস খেলে কি হয়
সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

১. কিসমিস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো:

কিসমিস কম চর্বিযুক্ত হওয়ায় ওজন বৃদ্ধি রোধ করে। টাইপ 2 ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি ভাল, কারণ কিসমিসের গ্লাইসেমিক সূচক মাঝারি।

. কিসমিস কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে:

নিয়মিত কিসমিস খেলে ভালো কোলেস্টেরল বেড়ে যায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। এভাবে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৩. কিসমিস ঘুমের জন্য ভালো:

অপর্যাপ্ত ঘুম বা অনিদ্রায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিরা কিসমিস খেতে পারেন। নিয়মিতভাবে কিসমিস খেলে শরীরের চাপের মাত্রা কমে যায় এবং এটি ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।

৪. কিসমিস কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করে:

কিসমিস কিডনিতে পাথর তৈরিতে বাধা দেয় এবং শারীরিক ব্যায়ামের সাথে নিয়মিত কিসমিস খেলে ওজন ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৫.কিসমিস অ্যাসিডিটির জন্য ভাল:

কিসমিসে উচ্চ মাত্রার পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে এবং এটি অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। 

৬. কিসমিস রক্তশূন্যতা দূর করে:

কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং আয়রন রয়েছে যা রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে এবং কিসমিসে থাকা কপার উপাদান লোহিত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। নিয়মিত কিশমিশ খাওয়া ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে এবং ক্ষত হলে রক্ত ​​জমাট বাঁধার গতি বাড়ায়।

৭. কিসমিস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে:

জ্বর এবং সাধারণ সর্দি-কাশির মতো ভাইরাল এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। শরীরের অভ্যন্তরে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের গঠন রোধ ও চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং চোখ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

৮. দাঁতের ক্ষয় রোধ করে:

ওলিয়ানোলিক অ্যাসিড কিশমিশে থাকে এবং এটি দাঁতের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। এছাড়াও কিশমিশ জীবাণু দূর করে দাঁত পরিষ্কার ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ।

৯. কিসমিস তারুণ্য ধরে রাখে:

কিসমিস ত্বকের কোষগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রোধ করে এবং বলিরেখা তৈরি হওয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। বয়স্ক মানুষের ত্বকের ঝুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

১০. কিসমিস চুলের জন্য উপকারী:

কালো কিসমিস চুল পড়া বন্ধ করে। এটি চুলের বৃদ্ধিকে সহজ করে এবং নিয়মিত কিশমিশ খেলে চুলের ফলিকল কোষগুলি উন্নত হয়।

১১. কিসমিস প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে:

যারা দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তারা যদি প্রতিদিন কিছু কিসমিস খান, বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে তাহলে ভাল ফলাফল পাবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

১২. কিসমিস প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

কিসমিস অনেক ভিটামিন এবং খনিজ যেমন ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন সি দ্বারা ভরপুর যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

১৩. ওজন কমাতে সহায়তা করে:

কিসমিসে ক্যালোরি কম এবং প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। অতিরিক্ত ক্যালোরি না থাকায় শরীরের ওজন কমাতে সহায়তা করে।

১৪. হাড়কে মজবুত করে:

কিসমিসে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের মজবুতির জন্য প্রয়োজনীয়।

১৫. চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে:

কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনলিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে যেমন ভিটামিন এ, এ-ক্যারোটিনয়েড এবং বিটা ক্যারোটিন যা চোখের দৃষ্টিশক্তিকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে।

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা: ১৭ টি বিশেষ গুণ।

কিচমিচ খাওয়ার নিয়ম
সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

কিসমিস খাওয়ার সঠিক নিয়ম/কিসমিস খাওয়ার নিয়ম কি/কিসমিস খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা/কিচমিচ খাওয়ার নিয়ম:

সকালে খালি পেটে কিসমিস খাওয়া ভলো। এগুলিকে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খাওয়া যেতে পারে।

প্রতিদিন কতটুকু কিসমিস খাওয়া উচিত/দিনে কয়টি কিসমিস খাওয়া উচিত?

দিনে ৩০-৪০ গ্রাম কিসমিস খাওয়া যেতে পারে। তার মানে দিনে ৮-১০ টি কিসমিস খাতে পারে। এর বেশি খাওয়া উচিত নয়।

কিসমিস কিভাবে খাওয়া যেতে পারে?

১. কিসমিস বিভিন্ন রান্নায় যেমন সেমাই, পুডিং, ফিরনি, কেক ইত্যাদিতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

২. কিসমিস সরাসরি খাওয়া যায়। 

৩. কেউ কেউ কিসমিস ও দুধ একসাথে সিদ্ধ করে। গরম দুধের সাথে ব্যবহার করা কিসমিস ভালো এনার্জি দেয়। ভারতে বিয়ের প্রথম রাতে এভাবে গরম দুধের কিসমিস মিশিয়ে খাওয়া হয়।

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা: ১৭ টি বিশেষ গুণ।

কিচমিচ এর অপকারিতা/কিসমিস বেশি খেলে কি হতে পারে?

১. রক্তে সুগার বেড়ে যেতে পারে।

২. ওজন বেড়ে যেতে পারে।

৩. কোষ নষ্ট করে ফেলতে পারে।

৪. পেটের সমস্যা হতে পারে।

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা: ১৭ টি বিশেষ গুণ।

কিচমিচ ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা/কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা/কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার নিয়ম

দুধ কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা
সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

কিচমিচে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফলস্বরূপ, আপনি যখন এগুলিকে পানিতে ভিজিয়ে রাখেন, তখন তারা প্রাকৃতিক জোলাপ হিসাবে কাজ করে। তাই, ভেজানো কিচমিচ খাওয়া কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। কিচমিচ বোরনের একটি বড় উৎস, যা সুস্থ হাড়ের বিকাশের জন্য অপরিহার্য

সকালে কিচমিচ খাওয়ার উপকারিতা/সকালে খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা:

সকালে খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে। কিসমিস একটি সুপারফুড বলে বিবেচিত। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা উল্লেখ করা হলঃ

  1. খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয়। কিসমিসে প্রচুর পুষ্টি উপাদান আছে যা শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে।
  2. কিসমিসে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার থাকার জন্য এটি হার্টের জন্য ভালো। কিসমিসে থাকা কম্পাউন্ড হার্ট রোগের ঝুকি কমায় এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়।
  3. কিসমিসে উচ্চ পরিমাণে আয়রন থাকার জন্য এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং রক্তপাত ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।

খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে তবে যদি কারও কোনও নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসম্পর্কিত সমস্যা বা আল্লার্জি রোগ বা ডায়াবেটিস সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকে, তবে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

কিসমিসের পানির উপকারিতা:

  1. কিসমিসের পানি রক্তকে বিশুদ্ধ করে, লিভারের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করে এবং আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।
  2. যারা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কিসমিসের পানি পান করা একটি দুর্দান্ত প্রতিকার। এই পানি পাকস্থলীর অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ করবে।
  3. কিসমিসের পানিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  4. কিসমিসের পানি রক্তের বিশুদ্ধকারী হিসাবে কাজ করে এবং হার্টের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

রাতে ঘুমানোর আগে কিসমিস খেলে কি হয়?

রাতে ঘুমানোর আগে কিসমিস খেলে ভাল ঘুম আসবে । এগুলিতে মেলাটোনিন থাকে যা হরমোন যা ঘুম-জাগরণ চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করে। ঘুমের আগে ঠিক না হলেও নিয়মিত খাওয়ার ফলে দ্রুত ঘুম হবে।

দুধ কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা কি?

কিসমিস ও দুধ এক সাথে খেলে তা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিসমিসে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং অন্যান্য জৈব যৌগ যেমন ট্যানিন এবং ফেনল যা হার্টকে ভালো রাখে।

REFERENCE: SEE MORE

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা
সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা/কিচমিচ এর উপকারিতা ও অপকারিতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *